আইসোটোপ কাকে বলে?  || পড়াশোনা সবসময় সবখানে™
রসায়নবিজ্ঞানশিক্ষাপড়াশোনা

আইসোটোপ কাকে বলে?

আইসোটোপ

2020-Nov-12 7:46 PM

আইসোটোপঃ  যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে।

সকল মৌলিক পদার্থ অসংখ্য পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত। স্বাভাবিক ভাবে একটি মৌলের সব পরমাণুর ভর, আকার, প্রোটন সংখ্যা, নিউট্রন সংখ্যা, ভর সংখ্যা একই। কিন্তু কোন একটি মৌলিক পদার্থের মধ্যে অবস্থিত পরমাণুগুলোর মধ্যে অল্প কিছু সংখ্যক পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা বা ভর সংখ্যা এক নয়, ভিন্ন। এদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে।

হাইড্রোজেন এর ৭টি আইসোটোপ আছে। এদের মধ্যে ৩টি প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এবং বাকি চারটি পরীক্ষাগারে সংশ্লেষণ করা হয়।  

1H – 1 (ইলেকট্রন) – 1(প্রোটন) – 0 (নিউট্রন) – 1(ভর সংখ্যা)

2H – 1 (ইলেকট্রন) – 1(প্রোটন) – 1 (নিউট্রন) – 2(ভর সংখ্যা)

3H  – 1 (ইলেকট্রন) – 1(প্রোটন) – 2 (নিউট্রন) – 3(ভর সংখ্যা)      

4H  – 1 (ইলেকট্রন) – 1(প্রোটন) – 3 (নিউট্রন) – 4(ভর সংখ্যা)

5H  – 1 (ইলেকট্রন) – 1(প্রোটন) – 4 (নিউট্রন) – 5(ভর সংখ্যা)

6H  – 1 (ইলেকট্রন) – 1(প্রোটন) – 5 (নিউট্রন) – 6(ভর সংখ্যা)      

7H  – 1 (ইলেকট্রন) – 1(প্রোটন) – 6 (নিউট্রন) – 7(ভর সংখ্যা)  

ক্লোরিনের দুটি আইসোটোপ হলো 35Cl  ও 37 Cl. নিউট্রন সংখ্যার ভিন্নতার কারণে এমনটি হয়েছে। 



 

আইসোটোপের বৈশিষ্ট্যঃঃ

একটি নিরপেক্ষ পরমাণুতে সমসংখ্যক ইলেকট্রন এবং প্রোটন থাকে। তাই, কোন মৌলের সকল সমস্থানিকে সমান সংখ্যক ইলেকট্রন ও প্রোটন থাকে, এমনকি এদের ইলেকট্রন বিন্যাসও একই, কারণ একটি পরমাণুর রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য এর ইলেকট্রন বিন্যাসের উপর নির্ভরশীল। একারণে একই মৌলের সমস্থানিকসমূহ প্রায় অভিন্ন রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে। সমস্থানিকসমূহের ইলেকট্রন ও প্রোটন সংখ্যা সমান থাকলেও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন থাকে। তাই এদের ভরসংখ্যাও ভিন্ন হয়। যেমনঃ- ওজোন ও অক্সিজেন।

প্রকৃতিতে বিভিন্ন আইসোটোপের বিভিন্ন পরিমাণে বিদ্যমান। যেমন এক লক্ষ্য হাইড্রোজেন পরমাণুর মধ্যে 99985টি থাকে হাইড্রোজেন এবং 15টি থাকে ডিউটেরিয়াম পরমাণু। ট্রিটিয়াম পরমাণু অতি নগণ্য।            

 


News all time